কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
নিরাপত্তা ও প্রতারণা
আমরা কীভাবে নিয়োগকর্তা যাচাই করি, ভুয়া চাকরি চেনা, রিপোর্ট করা এবং রিপোর্টের পর কী হয়।
- চাকরির প্রতারণার পাঁচটি লক্ষণসতর্ক থাকুন যদি: বিকাশ বা নগদে প্রসেসিং, ট্রেনিং বা ইউনিফর্ম ফি চাওয়া হয়; বেতন অবিশ্বাস্য রকম বেশি হয়; ইন্টারভিউয়ের আগেই টেলিগ্রাম, ইমো বা ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে যেতে চাপ দেওয়া হয়; কোম্পানির যাচাইয়ের স্তর না থাকে; বা আপনার এনআইডি, ব্যাংকের তথ্য বা কোড চাওয়া হয়। এমন দেখলে টাকা দেবেন না, রিপোর্ট করুন।
- আমরা কীভাবে নিয়োগকর্তা যাচাই করিপ্রতিটি কোম্পানির পাশে যাচাইয়ের স্তর দেখানো থাকে। T0 অযাচাইকৃত, শুধু খসড়া করতে পারে। T1 প্রতিষ্ঠানের ইমেইল বা ফোন নিশ্চিত করেছে এবং ট্রেড লাইসেন্সের ছবি দিয়েছে। T2 আরও TIN/BIN দিয়েছে এবং কল বা ভিডিও যাচাই পেরিয়েছে। T3 হলো ৯০ দিনের বেশি T2, ৭০% বা তার বেশি আবেদনকারীকে সাড়া দেয় এবং কোনো প্রমাণিত অভিযোগ নেই।
- চাকরি বা কোম্পানি কীভাবে রিপোর্ট করবেনচাকরির পাতা বা কোম্পানির পাতায় "রিপোর্ট" ব্যবহার করুন, একটি কারণ বেছে নিয়ে বিস্তারিত লিখুন। অ্যাকাউন্ট ছাড়াও যে কেউ রিপোর্ট করতে পারেন। কে রিপোর্ট করেছেন কোম্পানি কখনো জানে না, আর আমাদের ট্রাস্ট টিম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দেখে।
- বার্তায় নিরাপদ থাকানিয়োগকর্তার প্রতিটি বার্তা আপনি দেখার আগেই আমরা পরীক্ষা করি। টাকা চাওয়া বার্তা আটকে রাখা হতে পারে, যাতে আপনি তা দেখতেই না পান, অথবা সতর্কবার্তাসহ দেখানো হয়। এককালীন কোড (OTP), পাসওয়ার্ড বা পিন কখনো কাউকে দেবেন না, আর সন্দেহজনক যেকোনো বার্তায় "রিপোর্ট" ব্যবহার করুন।
- রিপোর্টের পর কী হয়আমাদের ট্রাস্ট টিম প্রতিটি রিপোর্ট দেখে। প্রকাশিত কোনো চাকরিতে তিনটি রিপোর্ট এলে টিমের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত তা নিজে থেকেই আটকে যায়। প্রার্থীর কাছে টাকা চাওয়া চাকরি সরিয়ে দেওয়া হতে পারে এবং কোম্পানিকে T0 স্তরে নামানো হতে পারে। কে রিপোর্ট করেছেন, কোম্পানি তা কখনো জানে না।