হেল্প ও নিরাপত্তা কেন্দ্র
JobGlobal-এ নিরাপদ থাকুন
ভুয়া চাকরি কীভাবে চিনবেন, নিয়োগকর্তার পর্যায়গুলোর অর্থ কী, আর কিছু ভুল দেখলে কীভাবে রিপোর্ট করবেন।
নিরাপত্তা আগে
ভুয়া চাকরির পাঁচটি লক্ষণ
JobGlobal-এর নিয়োগকর্তারা আবেদন, ইন্টারভিউ বা যোগদানের জন্য কখনো টাকা নেন না। এর কোনোটি দেখলে থামুন ও রিপোর্ট করুন। ট্রাস্ট টিম প্রতিটি রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেখে।
- ১
টাকা চায়
বিকাশ বা নগদে "প্রসেসিং", "ট্রেনিং" বা "ইউনিফর্ম" ফি। আসল নিয়োগকর্তা আপনাকে বেতন দেন।
- ২
বেতন অবিশ্বাস্য রকম বেশি
ইন্টারভিউ ছাড়াই নতুনদের ডেটা এন্ট্রির কাজে ৳৮০,০০০ আসল অফার নয়।
- ৩
JobGlobal-এর বাইরে নিয়ে যায়
ইন্টারভিউয়ের আগেই টেলিগ্রাম, ইমো বা ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার চাপ।
- ৪
যাচাইয়ের কোনো পর্যায় নেই
যাচাই ছাড়া নিয়োগকর্তাও বিজ্ঞপ্তি দিতে পারে, তবে আগে প্রতিষ্ঠানের পাতা ও পর্যায় দেখুন।
- ৫
এনআইডি, ব্যাংকের তথ্য বা কোড চায়
নথি লাগে অফারের পরে, আর কোড কখনোই না। JobGlobal-এর কর্মীরা কখনো পাসওয়ার্ড বা কোড চান না।
নিয়োগকর্তার পর্যায়ের অর্থ
প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তার যাচাইয়ের পর্যায় দেখায়। এটি জানায় JobGlobal কী যাচাই করেছে, কোনো চাকরির নিশ্চয়তা নয়।
T0
যাচাই হয়নি
বিজ্ঞপ্তি তৈরি করতে পারে, প্রকাশ করতে পারে না।
T1
বেসিক
ব্যবসায়িক ইমেইল বা ফোন কোড এবং ট্রেড লাইসেন্সের ছবি। একসাথে সর্বোচ্চ ২টি চাকরি।
T2
যাচাইকৃত
ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন বা বিআইএন এবং ট্রাস্ট টিমের কল বা ভিডিও যাচাই।
T3
আস্থাভাজন
৯০ দিন বা তার বেশি যাচাইকৃত, বেশিরভাগ আবেদনকারীকে উত্তর দেয় এবং কোনো রিপোর্ট সত্য প্রমাণিত হয়নি।
কীভাবে রিপোর্ট করবেন
- চাকরি বা প্রতিষ্ঠানের পাতাটি খুলুন।
- "রিপোর্ট করুন" বেছে নিয়ে একটি কারণ দিন।
- কী হয়েছে লিখুন। অ্যাকাউন্ট লাগে না, আর প্রতিষ্ঠান কখনো জানতে পারে না কে রিপোর্ট করেছে।
এরপর কী হয়
ট্রাস্ট টিম প্রতিটি রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেখে। তিনটি রিপোর্টে চাকরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আটকে যায়, আর টাকা চাওয়া চাকরি সরিয়ে নেওয়া হয়।
চাকরি দেখুননিরাপত্তা বিষয়ক লেখা
- চাকরির প্রতারণার পাঁচটি লক্ষণসতর্ক থাকুন যদি: বিকাশ বা নগদে প্রসেসিং, ট্রেনিং বা ইউনিফর্ম ফি চাওয়া হয়; বেতন অবিশ্বাস্য রকম বেশি হয়; ইন্টারভিউয়ের আগেই টেলিগ্রাম, ইমো বা ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে যেতে চাপ দেওয়া হয়; কোম্পানির যাচাইয়ের স্তর না থাকে; বা আপনার এনআইডি, ব্যাংকের তথ্য বা কোড চাওয়া হয়। এমন দেখলে টাকা দেবেন না, রিপোর্ট করুন।
- আমরা কীভাবে নিয়োগকর্তা যাচাই করিপ্রতিটি কোম্পানির পাশে যাচাইয়ের স্তর দেখানো থাকে। T0 অযাচাইকৃত, শুধু খসড়া করতে পারে। T1 প্রতিষ্ঠানের ইমেইল বা ফোন নিশ্চিত করেছে এবং ট্রেড লাইসেন্সের ছবি দিয়েছে। T2 আরও TIN/BIN দিয়েছে এবং কল বা ভিডিও যাচাই পেরিয়েছে। T3 হলো ৯০ দিনের বেশি T2, ৭০% বা তার বেশি আবেদনকারীকে সাড়া দেয় এবং কোনো প্রমাণিত অভিযোগ নেই।
- চাকরি বা কোম্পানি কীভাবে রিপোর্ট করবেনচাকরির পাতা বা কোম্পানির পাতায় "রিপোর্ট" ব্যবহার করুন, একটি কারণ বেছে নিয়ে বিস্তারিত লিখুন। অ্যাকাউন্ট ছাড়াও যে কেউ রিপোর্ট করতে পারেন। কে রিপোর্ট করেছেন কোম্পানি কখনো জানে না, আর আমাদের ট্রাস্ট টিম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দেখে।
- বার্তায় নিরাপদ থাকানিয়োগকর্তার প্রতিটি বার্তা আপনি দেখার আগেই আমরা পরীক্ষা করি। টাকা চাওয়া বার্তা আটকে রাখা হতে পারে, যাতে আপনি তা দেখতেই না পান, অথবা সতর্কবার্তাসহ দেখানো হয়। এককালীন কোড (OTP), পাসওয়ার্ড বা পিন কখনো কাউকে দেবেন না, আর সন্দেহজনক যেকোনো বার্তায় "রিপোর্ট" ব্যবহার করুন।
- রিপোর্টের পর কী হয়আমাদের ট্রাস্ট টিম প্রতিটি রিপোর্ট দেখে। প্রকাশিত কোনো চাকরিতে তিনটি রিপোর্ট এলে টিমের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত তা নিজে থেকেই আটকে যায়। প্রার্থীর কাছে টাকা চাওয়া চাকরি সরিয়ে দেওয়া হতে পারে এবং কোম্পানিকে T0 স্তরে নামানো হতে পারে। কে রিপোর্ট করেছেন, কোম্পানি তা কখনো জানে না।