মূল বিষয়ে যান

নিয়োগকর্তা

আমার চাকরি কেন আটকে রাখা হলো?

হালনাগাদ ৮ অক্টোবর, ২০২৬

প্রার্থীদের নিরাপদ রাখতে প্রকাশের সময় প্রতিটি চাকরি পরীক্ষা করা হয়। আটকে রাখা চাকরি সাধারণ মানুষ দেখতে পান না। কেন আটকানো হলো, তা আপনার চাকরির পাতায় সহজ ভাষায় লেখা থাকে।

সাধারণ কারণ

  • প্রার্থীর কাছে টাকা চাওয়া, যেমন প্রসেসিং, ট্রেনিং বা ইউনিফর্ম ফি।
  • শুধু ব্যক্তিগত যোগাযোগ, যেমন জবগ্লোবালে আবেদনের বদলে শুধু একটি ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর বা মেসেজিং অ্যাকাউন্ট।
  • পদের তুলনায় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বেতন।
  • সরিয়ে দেওয়া কোনো পোস্টের নকল।
  • নতুন নিয়োগকর্তার একসাথে অনেক চাকরি প্রকাশ।
  • ইংরেজি, বাংলা বা বাংলিশে প্রতারণামূলক শব্দ।
  • চাকরিটি দেখে তিন বা তার বেশি রিপোর্ট।

এরপর কী হয়

আটকে রাখা চাকরি শুধু আমাদের ট্রাস্ট টিম ছাড়তে পারে। তারা:

  • ছেড়ে দিতে পারে, তখন চাকরিটি প্রকাশিত হয়;
  • পরিবর্তন চাইতে পারে: আপনি বাংলা ও ইংরেজিতে একটি বার্তা পাবেন। চাকরিটি সম্পাদনা করে সংরক্ষণ করলে তা আবার পর্যালোচনায় যায়; অথবা
  • নিয়ম ভাঙলে সরিয়ে দিতে পারে।

কোনো চাকরিতে প্রার্থীর কাছে টাকা চাওয়া হলে কোম্পানিকে T0 স্তরেও নামিয়ে দেওয়া হতে পারে।

কীভাবে আটকানো এড়াবেন

  • প্রার্থীর কাছে কখনো কোনো টাকা চাইবেন না।
  • শুধু ব্যক্তিগত নম্বরের বদলে প্রার্থীদের জবগ্লোবালে আবেদন করতে দিন।
  • বাস্তবসম্মত বেতনসীমা দিন।
  • চাকরির বিবরণ নিজে লিখুন।

সিদ্ধান্তের সাথে একমত নন?

চাকরি সরিয়ে দেওয়া হলে ৩০ দিনের মধ্যে একবার আপিল করতে পারেন।

লেখাটি কি কাজে লেগেছে?